হাওজা নিউজ এজেন্সি: আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাওয়াদী আমুলি তাঁর বক্তব্যে কোরবানি ঈদকে ‘ইবাদতের বিদায়-সম্ভাষণ’ হিসেবে অভিহিত করে এর গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন—
“মহান কোরবানি ঈদ, যা ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঈদ, সে উপলক্ষে আমরা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর পাক দরবারে শুভেচ্ছা জানাই এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহ, বিশেষ করে ঈমানদার নামাজি ভাই-বোনদের অভিনন্দন জানাই।
এই ঈদ, ঈদুল ফিতরের মতোই ইসলামের সবচেয়ে বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ দিবসগুলোর একটি। ইসলামে ঈদ বলতে কেবল আনুষ্ঠানিক উৎসব বোঝায় না; বরং এটি একটি মহান ইবাদতের সমাপ্তিকে মর্যাদার সঙ্গে উদযাপনের উপলক্ষ।
যেমন ঈদুল ফিতর হলো পবিত্র রমজান মাসের বিদায়-সম্ভাষণ, তেমনি কোরবানি ঈদ হলো ইহরাম, হজে তামাত্তু ও ওমরার মতো মহান ইবাদতের সমাপ্তির আনন্দঘন উপলক্ষ। অর্থাৎ, যখন বান্দা তার ইবাদত সম্পন্ন করে প্রভুর সান্নিধ্যের দিকে অগ্রসর হয়, তখন সে আনন্দ উদযাপন করে।
ইসলামের অন্যান্য ঈদ, যেগুলো ‘বেলায়েত’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলোর প্রকৃতিও একই রকম। জুমার দিনকে ঈদ বলা হয় জুমার নামাজের কারণে, আর ঈদে গাদিরকে ঈদ বলা হয় ‘বেলায়েত’-এর কারণে।
ইসলামে ঈদ হলো ইবাদতের সঙ্গী এবং ইবাদত-পরবর্তী আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। আর এই ঈদ শুধু শিয়াদের জন্য নয়; বরং সমগ্র মুসলিম সমাজের জন্য। ‘لِلْمُسْلِمِینَ عِیداً’— অর্থাৎ, এটি সব মুসলমানের ঈদ, যা ইমামের খুতবা ও ইসলামী শিক্ষার বরকতে উদযাপিত হওয়া উচিত।”
আপনার কমেন্ট